Breaking News

বিরাটকে নিয়েও প্রশ্ন উঠল | আজকাল



দেবাশিস দত্ত: চুপিসারে লড়াই কিন্তু চলছেই। কারা ঠিক, কারা ভুল, কোন কোন কাজের অধিকার কার কার হাতে এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট সীমারেখা ঠিক কোনটা, তা সুপ্রিম কোর্ট বলে দেওয়া সত্ত্বেও, তা লঙ্ঘন করে চলেছেন বোর্ডকর্তারা। এ কারণে, সুপ্রিম কোর্ট নিয়োজিত প্রশাসকদের সঙ্গে নিয়মিত ঠোকাঠুকি লেগেই চলেছে।
কয়েকটা উদাহরণ তুলে দেওয়া যাক।
●‌ সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে বিরাট কোহলির সিদ্ধান্তটা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রবল বিতর্ক। অপসারিত হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে বোর্ডকর্তারা প্রশ্ন তুলেছেন, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচ না খেলে কেন বিরাটকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেওয়া হল?‌
●‌ ইশান্ত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারা যখন কাউন্টি ক্রিকেট খেলার কারণে রয়েছে ইংল্যান্ডে, তখন ৩১ মে লর্ডসে এমসিসি–‌র বিরুদ্ধে অবশিষ্ট বিশ্ব একাদশের খেলার জন্য কেন দেশ থেকে দীনেশ কার্তিক হার্দিক পান্ডিয়াকে পাঠানো হবে?‌ একটি প্রতিযোগিতার শেষে অন্তত ১৫ দিনের ব্যবধানে পরের ম্যাচ খেলার নিয়ম জানা থাকা সত্ত্বেও, কেন সচিব অমিতাভ চৌধুরিরা দীনেশ, হার্দিককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন?‌
●‌ বোর্ডকর্তারা জানালেন, শিখর কর্মকার, স্মৃতি মানধানার নাম অর্জুন পুরস্কারের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরের দিনই সুপ্রিম কোর্ট নিয়োজিত প্রশাসকরা জানালেন, ধ্যানচাঁদ আজীবন স্বীকৃতির জন্য সুনীল গাভাসকারের নাম প্রস্তাব করা হল। তেমনই দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য রাহুল দ্রাবিড় এবং রাজীব খেলরত্নের জন্য বিরাট কোহলির নাম প্রস্তাবাকারে পাঠানো হল কেন্দ্রীয় সরকারের দপ্তরে।
লড়াইয়ের ছবিটা পরিষ্কার।
অপসারিত হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকা কর্তারা বনাম সুপ্রিম কোর্ট নিয়োজিত প্রশাসকরা।
এক দল বলছে, সুপ্রিম কোর্ট মানি না। অন্য দল আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে লোধা কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী দেশের ক্রিকেট খেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ক্রিকেটের সূক্ষ্ম ব্যাপার–‌স্যাপারের জ্ঞান ততটা না থাকলেও, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে যে বিনোদ রাইরা কাজ করার চেষ্টা করছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এবং তাঁদের কাজকর্ম ও সিদ্ধান্তে ভুল–‌ত্রুটি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অমিতাভ চৌধুরিরা রে–‌রে করে তেড়ে যাচ্ছেন।

বিরাট কোহলির অনুপস্থিতির অভাব অনুভব করবেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা— আইসিসি–‌র সভায় যোগদান করতে এসে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের প্রতিনিধি কলকাতায় বলে যাওয়ার পর থেকেই অমিতাভ চৌধুরিরা, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য কর্তারা ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দেন, বিরাট কোহলির উচিত আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা। সব বিতর্কের একদিকে থাকে ইতিবাচক ব্যাপার। অন্য শিবির নেতিবাচক কথা বলে বিতর্কে গতি এনে ফেলে। এটা ঠিক তেমনই ব্যাপার।
বিরাট আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে না খেলে, ইংল্যান্ড সিরিজের জন্য প্রস্তুতি সেরে ফেলতে চাইছেন। এটা অন্যায়?‌ কেউ বলবেন, মোটেই নয়। বিরাট ছাড়া আফগানিস্তানকে হারানোর ব্যাপারটা যখন নিশ্চিত, তখন বিরাট না খেললে সমস্যাটা কোথায়?‌ বোর্ডকর্তারা বলছেন, অধিনায়কের অনুপস্থিতি মানে আফগানিস্তানকে অপমান করা!‌ তাঁরা আবার ইংল্যান্ডকে হারানোর জন্য প্রস্তুতির ব্যাপারটা গুরুত্বই দিতে চাইছেন না।
এমন চাপান–‌উতোরের মাঝেই চলছে ভারতীয় ক্রিকেট। সুপ্রিম কোর্ট এই পরিস্থিতিতেও ক্রিজ ছেড়ে বেরোতে চাইছে না। নাকি পারছেন না মাননীয় বিচারপতিরা?‌ ‌‌‌‌
ফেসবুক ক্রমাগত আমাদের গ্রুপ শেয়ারিং ব্লক করে চলেছে, সুতরাং, খেলাধুলা সম্পর্কিত সমস্ত খবর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইকের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন, পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার করতে অবশ্যই ভুলবেন না কিন্তু, লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজে
[pullquote align="normal"]
loading...
loading...
[/pullquote]

No comments