Breaking News

সঞ্জয় স্যরকে পাওয়াটা দারুণ | আজকাল

সদ্য সমাপ্ত মরশুমে ব্যর্থতার সঙ্গে পাশাপাশি হেঁটেছে এটিকে। মোটের উপর তঁারও মরশুমটা ভাল কাটেনি। যা হওয়ার হয়ে গেছে। সামনের মরশুমে ঘুরে দঁাড়ানোর লড়াই থেমে নেই তাঁর। উত্তরপাড়ার নেতাজি ব্রিগেডের মাঠে এবং জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন। তারই ফঁাকে দেবজিৎ মজুমদারকে সাক্ষাৎকারের জন্য মুখোমুখি বসালেন সৌমিত্র কুমার রায়


• মরশুমটা ভাল গেল না। আপশোস হয় তো নিশ্চয়ই?
দেবজিৎ: হতাশ হয়ে পড়ার মত কিছু হয়নি। আগের বছর চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম, তাই, সবারই আমাদের উপর প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিল। সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি দল। এটা নিয়ে বেশি ভেবে লাভ নেই। সামনের মরশুমে কীভাবে ভাল করা যায়, সেই পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। সামনের মরশুমের জন্য খুব ভাল দল গড়ার কাজও চলছে। আশা করছি, সামনের মরশুমে ভাল রেজাল্ট হবে।
• শেষ মরশুমে নিজের পারফরমেন্স নিয়ে প্রতিক্রিয়া?
দেবজিৎ: প্রত্যেক বছর সবার সমান যায় না। ওঠা–পড়া নিয়েই ফুটবলারদের জীবন। খুব পরিশ্রম করছি। আশা করছি, সামনের মরশুমে ভাল কিছুই হবে। 
• টিমের সঙ্গে সঞ্জয় সেন যুক্ত হয়েছেন। কতটা অ্যাডভান্টেজ?
দেবজিৎ: সঞ্জয় স্যারের আমাদের টিমে যোগ দেওয়াটা খুব ভাল ব্যাপার। সামনের মরশুমে যারা টিমের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে, তারা সঞ্জয় স্যারের কাছে একসঙ্গে খেলেছে। গত মরশুমে ড্রাফটিং থেকে টিম মালিকদের দল তৈরি করতে হয়েছিল। ড্রাফটিংয়ে পুরোপুরি নিজের মনের মত টিম তৈরি করা যায় না। এবার ওপেন মার্কেট। পছন্দ মত ফুটবলারদের সই করানো সম্ভব হচ্ছে। যেমন প্রণয় (হালদার), বলবন্ত (সিং), শেখ ফৈয়াজ, রিকিরা সই করেছেন। আমি, প্রবীর রয়েছি। ফৈয়াজের সঙ্গে আমি একসঙ্গে চাকরিও করি। আমরা সবাই সবাইকে চিনি। খেলার ধরনটাও জানি। যেটা আগামী মরশুমে দারুণভাবে কাজে লাগবে। ভাল রেজাল্ট পেতে গেলে টিমের ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়াটা খুব জরুরি।
• আগামী মরশুমের টিমে একঝাঁক বঙ্গসন্তানকে খেলতে দেখা যাবে। সেই আবেগটা টিমকে বাড়তি বুস্ট–আপ করবে?
দেবজিৎ: নিশ্চয়ই। শেষ যে বছর চ্যাম্পিয়ন হল এটিকে, দলে অনেকজন বাঙালি ফুটবলার ছিল। এটা মানতেই হয়, মোহনবাগান–ইস্টবেঙ্গল খেলা বাংলার ফুটবলারদের আবেগ একটু আলাদা রকমই থাকে। সেটা অস্বীকার করা যায় না। সেই জায়গা থেকে এই বাঙালি আবেগটা সামনের মরশুমে নিঃসন্দেহে টিমের প্লাস পয়েন্ট হবে। শুধু বাঙালি বলে নয়, কলকাতায় খেলে যাওয়া ফুটবলার টিমে যত বেশি থাকবে, টিমের জন্য ভাল। কারণ, ওদের কলকাতার চাপ সম্পর্কে ধারণা আছে।
• শেষ মরশুমে এটিকের খেলা দেখতে সেভাবে গ্যালারি ভরেনি। তখন আই লিগ খেলতে না পারার জন্য কোনও আক্ষেপ?
দেবজিৎ: দেখুন, আমি যখন কোনও সিদ্ধান্ত নিই তারপর আর সেটা নিয়ে ভাবি না। আক্ষেপ, আপশোস কিছুই করি না। তবে, কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেক ভাবনা–চিন্তা করি। সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেললে পিছন ফিরে আর তাকাই না। সেরকমই আই লিগ খেলতে না পারার জন্য কোনও আপশোস নেই। কিন্তু, আমি চাই, মোহনবাগান–ইস্টবেঙ্গলও আসুক আইএসএলে। সদস্য–সমর্থকবেষ্টিত ক্লাব যত আইএসএলে আসবে তত ভাল। ১০ মাস ধরে লিগ চলুক। টিমের সংখ্যা বাড়ুক আইএসএলে। মনেপ্রাণে চাই, দেশে একটাই লিগ হোক।
• মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এলে লড়াইটা আরও জমবে?
দেবজিৎ: এখন আইএসএলে যে দশটা টিম রয়েছে, তাদের মধ্যেও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। কিন্তু, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এলে ভারতীয় ফুটবলের জন্য ভাল হবে।
• আপনার পুরনো টিমের প্রাক্তন সতীর্থ শিলটন পাল এবারের আই লিগের সেরা গোলকিপার। 
দেবজিৎ: এই বয়সেও শিলটনদা নিজেকে যেভাবে ফিট রেখেছে, তা শেখার মত। খবরটা শোনার পরই ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। এটা সত্যিই দারুণ ব্যাপার। তবে, একটা দুঃখ রয়ে গেল।

• কী দুঃখ?

দেবজিৎ: মোহনবাগান আই লিগটা পেল না। মনেপ্রাণে চেয়েছিলাম, মোহনবাগান আই লিগটা জিতুক। ব্যাড লাক, সেটা হয়নি। আশা করেছিলাম, সুপার কাপটা চ্যাম্পিয়ন হবে, সেটাও হয়নি। আসলে, আমার কেরিয়ারের তিনটে বছর মোহনবাগানে খেলেছি, সবাই আমাকে চিনেছে মোহনবাগানে খেলার জন্যই। সেই মোহনবাগানকে কোনওদিনও ভুলব না। মোহনবাগানের হয় যেমন আই লিগ, ফেড কাপ পেয়েছি, এটিকের হয়েও ট্রফি জিতেছি।‌‌‌‌
ফেসবুক ক্রমাগত আমাদের গ্রুপ শেয়ারিং ব্লক করে চলেছে, সুতরাং, খেলাধুলা সম্পর্কিত সমস্ত খবর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইকের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন, পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার করতে অবশ্যই ভুলবেন না কিন্তু, লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজে
[pullquote align="normal"]
loading...
loading...
[/pullquote]

No comments